খুঁজুন
, ,

ওয়াশিং মেশিন কিনতে যা অবশ্যই জেনে নিবেন!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২২, ৮:১১ পিএম
ওয়াশিং মেশিন কিনতে যা অবশ্যই জেনে নিবেন!

ওয়াশিং মেশিন এমন একটি উপকরণ যা কেনা খুবই জটিল ব্যাপার। এগুলো বহন করা খুব যন্ত্রণাদায়ক, বাজারগুলো জটিল অব্যবহারযোগ্য ও লোভনীয় নতুন উপকরণাদি দিয়ে ভরপুর, এবং যখন আপনি কোন বড় ও দামি ওয়াশিং মেশিন কিনতে যাবেন তখন অবশ্যই আপনার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়াটা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়বে।ওয়াশিং মেশিন কেনার সময় কি কি জিনিস বিবেচনা করবেন?

কিন্তু আশাজনক জিনিস হল যে, একটি ভাল ওয়াশিং মেশিন অনেক দীর্ঘ সময় পর্যন্ত টিকে থাকে। তাই আপনি যদি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ভাল মেশিনটি কিনতে পারেন, তাহলে আপনি অনেক দীর্ঘ দিন যাবত এটি ব্যবহার করতে পারবেন। ধরণ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিন- আপনি কি ফ্রন্ট-লোডিং ওয়াশিং মেশিন অপেক্ষা ওয়াশিং মেশিনের উপরে থাকা লোডিং এবং আনলোডিং লন্ড্রিগুলোকে বেশি পছন্দ করেন?

ফ্রন্ট লোডার বনাম টপ লোডার
প্রথমে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে আপনি ফ্রন্ট-লোডিং অথবা টপ লোডিং মেশিনের থেকে কোনটি পছন্দ করবেন। আপনার অবশ্যই আগের মডেল অনুযায়ী, লন্ড্রির স্পেস অনুযায়ী, অথবা এমনকি আপনার কার্যক্ষমতা অনুযায়ী একটি পছন্দ থাকতে পারে। কিন্তু কেন একটি অথবা অন্যটি আপনার জন্য ভাল হবে তা যাচাই করা খুবই ভাল। এই কারণগুলো নিচে দেয়া হলঃ

টপ লোডার:
সুবিধাসমূহ: ফ্রন্ট লোডারের চেয়ে অল্প পরিমাণ ক্ষয় হয় ও অল্প মেরামত করার প্রয়োজন হয়। দ্রুততম ওয়াশিং পদ্ধতি। সাধারণত কেনা খুব সস্তা। অপেক্ষাকৃত হালকা এবং সহজে সরানো যায়। একবার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেলেও সহজে অন্য কাপড় দেয়া যায়। সাধারণত খুব ভালভাবে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধৌত করতে পারে।

অসুবিধাসমূহ: সাধারণত কাপড়ের জন্য খুবই কঠোর। ফ্রন্ট লোডারের চেয়ে বেশি পানি ব্যবহার করে। যখন উষ্ণ থেকে গরম পানি দিয়ে ধোয় তখন বেশি শক্তি ব্যবহার করে। বেশি ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে। ব্যবহারের জন্য বেশি ব্যায়বহুল।

ফ্রন্ট লোডার:
সুবিধাসমূহ: কাপড়ের জন্য খুব ভাল। সাধারণত কম পানি ব্যবহার করে। যখন উষ্ণ থেকে গরম পানি দিয়ে ধোয় তখন কম শক্তি ব্যবহার করে। কম ডিটারজেন্ট ব্যবহার করে। বেশি কার্যক্রম ও উচ্চ তাপমাত্রায় ধোয়ার অপশন। কম খরচে চালনা করা যায়। উচ্চ ঘূর্ণন গতি, যে কারণে এরা বেশি পানি বের করতে পারে- এমনকি কাপড় শোকানোর জন্যও উপকারী, এবং ক্লথ ড্রাইয়ার ব্যবহার করলেও খরচ কম পড়ে।ছোট পরিসরের জন্য খুব ভাল- আপনি কোন বেঞ্চির নিচেও এটি রাখতে পারবেন অথবা এর উপর ড্রাইয়ারও রাখতে পারবেন।

অসুবিধাসমূহ: কাপড় ধুতে বেশি সময় নেয়- কোন কোন ক্ষেত্রে তিন ঘন্টারও বেশি সময় নেয়। ( কিন্তু বেশির ভাগেরই তাড়াতাড়ি ধোয়ার অপশন আছে।) সাধারণত কেনা খুবই ব্যয়বহুল। উচ্চ ঘূর্ণন গতি ও কম পানির জন্য ( এবং উচ্চ ওয়াশিং তাপমাত্রার অপশন) কাপড়ে বেশি ভাজ পড়ে। কিছুর অবশ্য ভাজ-নিরোধক পদ্ধতি আছে। কিছুগুলোর মধ্যে আপনি ওয়াশিং পদ্ধতি শুরু হয়ে গেলে সহজে কাপড় যোগ করতে পারবেন না। সহজে নড়াচড়া করা যায় না। কাঠের মেঝের উপর স্থাপন করতে কিছুগুলোর জন্য বিশেষ বন্ধনীর প্রয়োজন হয়। উচ্চ ঘূর্ণন চক্র বেশি থাকে, কিছু মানুষ এই বিষয়টির প্রতি খুব সংবেদনশীল। কিছুগুলো কম পানি ব্যবহারের কারণে এত ভালভাবে ধুতে পারে না।

কারিগরি দিকগত পার্থক্যসমূহ:
ফ্রন্ট লোডিং ওয়াশিং মেশিনগুলো কাপড়গুলোকে খুব ভালভাবে একের পর এক ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ধৌত করে যা কাপড়ের জন্য খুবই উপকারী। এই ধরনের পরিষ্কার করার পদ্ধতি টপ লোডিং ওয়াশিং মেশিনের তুলনায় কম শক্তি ( যখন গরম পানি দিয়ে ধোয়) ও কম পানি ব্যবহার করে, এবং অতিরিক্ত চাপ নিতেও খুব দক্ষ। ধৌত করার পদ্ধতিটি টপ লোডারের চেয়ে প্রায়শই সময় বেশি নেয়, যদিও বেশির ভাগ ফ্রন্ট লোডারেরই তাড়াতাড়ি ধোয়ার পদ্ধতি ও অপশন আছে।

আপনার যদি চুলায় গরম করা পানি থাকে এবং এটিকে ধোয়ার জন্য ব্যবহার করতে চান, তাহলে আপনাকে গরম পানির সংযোগসহ একটি ওয়াশিং মেশিন লাগবে, গরম এবং ঠাণ্ডা পানির দ্বিমুখী সংযোগসহ ফ্রন্ট লোডার খুঁজে বের করা কঠিন হতে পারে ( বেশির ভাগের অভ্যন্তরীণ উনুন থাকে)। ওয়াশার ড্রায়ার কম্বোগুলো ফ্রন্ট লোডারের খুবই ছোট একটি অংশ এবং এতে একটি কনডেনসার ড্রায়ার প্রস্তুত করা থাকে।

প্রায় একই ধরনের অন্যান্য ফ্রন্ট লোডার ছাড়া, তিন ধরনের টপ লোডার রয়েছে:
এগিটেটরঃ এই ডিজাইনটির সাথে আপনি সম্ভবত খুব পরিচিত। একবার মেশিনটি পানি দিয়ে পূর্ণ হলে, বেশির ভাগ মডেলই একটি আন্দোলক দ্বারা কাজ করে যা ড্রামটির উপরিভাগ থেকে মধ্যভাগ পর্যন্ত লেগে থাকে, সবলভাবে পেঁচানো থাকে এবং ধৌত করার কার্যক্রমকে চতুর্দিকে পরিচালন করে। এটি তাড়াতাড়ি ময়লা পরিষ্কার করে, কিন্তু কাপড়ের জন্যও ক্ষতিকর।

ইমপেলারঃ কম প্রচলিত ইমপেলার মডেলগুলোর একটি উন্মুক্ত গামলা থাকে যা ড্রামের উপরিভাগের অংশে দেখা যায়। পাখাগুলো এর মাঝখানে থাকে আর কার্যক্রম ইমপেলারের ঘূর্ণন অনুযায়ী ড্রামের নিম্নাংশ থেকে শুরু হয়, যা আলোড়নের সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়া এগিটেটরের থেকে কাপড়কে বেশি জট পাকায়। এরা সাধারণত এগিটেটরের চেয়ে বেশি পানি ও শক্তি ব্যবহার করে, এবং এগুলো ব্যবহার করাও অপেক্ষাকৃত ব্যয়বহুল।

নিচু আকারের এগিটেটরঃ এতে একটি ইমপেলার ও সম্পূর্ণ আকৃতির এগিটেটরের মাঝখানে আরেকটি এগিটেটর থাকে।

যা খুঁজবেন: আপনি দোকানে প্রবেশ করার আগে অথবা অনলাইনে খোজার আগে কিভাবে আপনার নতুন ওয়াশার ব্যবহার করবেন তা সম্পর্কে কিছু তথ্য সংগ্রহ করুন।

ধারণক্ষমতা:
ধারণক্ষমতা ৪.৫ কেজি থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে, তাই প্রত্যেক গৃহস্থালির জন্যই এমন একটি মেশিন খুঁজে বের করা উচিত যা তাদের সাথে মানানসই হয়। যদিও বেশি বড় মেশিনগুলো বড় গৃহস্থালির জন্য অথবা বিশাল আয়তনের জিনিসপত্রের জন্য খুব উত্তম হয়, এর জন্য আসল উপায় হল প্রস্তুতকারক কর্তৃপক্ষ মেশিনটির ধোয়ার জন্য প্রকৃত ধারণক্ষমতা কতটুকু বলছে তা জানা- এবং এটি হল এমন কিছু যা আপনি ভিতরের অংশ দেখে বলতে পারবেন না।

আপনার কত ধারণক্ষমতা প্রয়োজন তা সিদ্ধান্ত নিতে, আপনার ধোয়ার মাপ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ওজন পরিমাপ করুন। আপনার যদি বাথরুম স্কেলের সেট থাকে, তাহলে প্রথমে খালি বালতিটির প্রাথমিক ওজন নিন, এরপর আপনি মেশিনে সর্বোচ্চ যে পরিমাণ কাপড় রাখবেন তা দিয়ে বালতিটি পূর্ণ করুন। সম্পূর্ণকৃত বালতিটির ওজন নিন এবং এটিকে প্রথম ওজনের সাথে বিয়োগ করুন। আপনার প্রকৃতপক্ষে কতটুকু ধারণক্ষমতা প্রয়োজন তা বের করার জন্য এটি একটি ভাল পদ্ধতি।

সময়:
টপ লোডারের সাধারণত ফ্রন্ট লোডারের চেয়ে কম ওয়াশ পদ্ধতির প্রয়োজন হয়। আপনি যদি ফ্রন্ট লোডার পছন্দ করে থাকেন, তাহলে দ্রুত ওয়াশ পদ্ধতি সম্পন্ন একটি নির্বাচন করুন- কিন্তু এই ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন। শুকানোর সময়ও একটি ভাল বিবেচনার বিষয়। কারণ ফ্রন্ট লোডারের উচ্চ ঘূর্ণন গতির প্রয়োজন হয় এবং কাপড় থেকে অধিক পানিও বের করে, শুকানোর সময়ও কম লাগে। আপনি যদি কাপড় শুকানোর ড্রায়ার ব্যবহার করেন তাহলে এটি টাকার জন্যও সাশ্রয়ী হবে।, এবং স্বাভাবিকভাবেও খুব উপকারী হবে।

আপনার জায়গা:
আপনার কতগুলো রুম আছে? মেশিনটি কোথায় রাখবেন? আপনার দরজাটি খুলতে অথবা বন্ধ করতে কতটুকু জায়গার প্রয়োজন, মেশিনটিকে লোড ও আনলোড করুন, ভেজা কাপড় ভর্তি একটি বালতি নিয়ে চলাফেরা করে দেখুন, এবং লন্ড্রির খালি জায়গার কাছে এটিকে খুলুন ও বন্ধ করুন। প্রয়োজনীয় ইলেক্ট্রিসিটি, পানি ও গ্যাস পয়েন্ট কি সহজে প্রবেশ করতে পারে নাকি আদৌ নয়? মাপার জন্য ফিতা আনুন, মাপগুলো একটি নোটবুকে লিখুন (আপনার বর্তমান মেশিনের মাপ সহ।) এবং আপনি যখন কেনার জন্য দোকানে যাবেন তখন এগুলোকে সাথে করে নিয়ে যান।

শব্দ:
ফ্রন্ট লোডারের সাধারণত টপ লোডার অপেক্ষা উচ্চতর ঘূর্ণন প্রক্রিয়া থাকে, কারণ এরা দ্রুততর ঘূর্ণন গতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। আপনার লন্ড্রি যদি আপনার থাকার জায়গার কাছাকাছি হয় তাহলে একটি শব্দকারী মেশিন বড় ব্যাপার হতে পারে, তাই আপনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি বিবেচনা করুন।

গরম ও ঠান্ডা পানির সংযোগ:
কিছু মেশিনকে সঠিকভাবে চালনা করতে ঠান্ডা ও গরম দুই ধরনের পানিরই প্রয়োজন হয়, অথবা আপনি যদি ঠান্ডা পানির সাথে গরম পানি মেশানোর ব্যবস্থা করতে চান তাহলে, একটি বিশেষ কানেক্টর অথবা সিলিং ক্যাপের প্রয়োজন হতে পারে। আপনি যদি শুধুমাত্র ঠান্ডা পানি মিশাতে চান তাহলে হিটার সম্পন্ন মেশিন ( শুধুমাত্র ফ্রন্ট লোডার।) আপনার জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজন হবে।

দ্বৈত সংযোগের মডেলের জন্য অনেক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্টান সর্বোচ্চ গরম পানি ডেলিভারি পদ্ধতির চেয়ে সর্বাপেক্ষা নিচু তাপমাত্রা পদ্ধতির সুপারিশ করে- বিশেষত গরম পানির সোলার সিস্টেম। গরম পানির কারণে দাগের সৃষ্টি হয়, তাই ঠান্ডা পানি ভর্তি করার পর তা ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় গরম হলে তা দাগ উঠা থেকে বিরত রাখে। কিন্তু যদি একটি দ্বৈত সংযোগের ওয়াশার ভালভাবে ডিজাইন করা হয়, এটি প্রথমে ঠান্ডা থাকে তারপর গরম পানি যোগ করে।

ওয়াশিং মেশিনের চাইল্ড-লক:
কিছু মেশিনে চাইল্ড-লক ফাংশন থাকে- এটি হয় ওয়াশারের দরজাতে থাকে যা কার্য চলাকালীন সময়ের মাঝখানে ওপেন করা যায়, অন্যথায় এমন প্রোগ্রাম থাকে যা কার্যক্রম চলাকালীন সময় কখনও বদলানো যায় না। যে বাড়িতে বাচ্চা আছে সেই বাড়িতে ওয়াশার যখন ব্যবহৃত হয় না তখন দরজার লক চালু করে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যদিও মাঝে মাঝে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়াশারের প্রান্তগুলোতে ময়লা পড়ার কারণে ফ্রন্ট লোডারের সামান্যতম অংশ খুলে রাখার সুপারিশ করে। আপনি যদি কৌতূহলী বাচ্চাদের ওয়াশার নিয়ে খেলার বিষয়ে চিন্তিত থাকেন, তাহলে আপনাকে অবশ্যই লন্ড্রীর জন্য একটি বাচ্চাদের নিরাপত্তামূলক গেট ব্যবহার করতে হবে।

পে-স্কেল ও পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা নিয়ে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সেমিনার, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 6:02 pm
পে-স্কেল ও পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা নিয়ে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সেমিনার, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

পে-স্কেল ও পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা, প্রত্যাশা-প্রাপ্তি এবং আগামীর ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন (ইচঋ) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে এসএসসি–২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর হোসাফ টাওয়ারস্থ রাজবাড়ি কুইজিন চাইনিজ রে¯েত্মারাঁয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের সভাপতি- বিশিষ্ট লেখক ও কৃষি গবেষক সরকার মো. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জামাল আহমেদেও সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. এস কে রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, সিজিএ, ঢাকার সাধারণ সম্পাদক মো. মফিজ উদ্দিন খান। প্রধান আলোচক ছিলেন,বিশিষ্ট সমাজ বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক লিডারশীপ এওয়ার্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব মো. মফিজুল ইসলাম। মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কবি প্রফেসর ড. মো¯ত্মফা দুলাল।

সম্মানিত আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় ম্যাগাজিন অগ্নিবার্তার সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক গোলাম মো¯ত্মফা, সিজিএ কার্যালয়ের ডিসিজিএ এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, ঢাকা ডিভিশনের সাবেক ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস মো. আমির হোসেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ডিসিএও শামছুল করিম, দৈনিক নাগরিক কণ্ঠের সম্পাদক আব্দুল মা’বুদ জীবন, বিশিষ্ট সমাজ বিশ্লেষক ও সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিন্নাহতুল ইসলাম জিন্নাহ, দৈনিক আমাদের কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, দৈনিক ঘোষণার সহ-সম্পাদক ও আšত্মর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী মো. শাফিউর রহমান কাজী, সমাজ বিশ্লেষক মো. সানোয়ার হোসাইন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আমজাদুল হক খান, সিজিএ অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোন্দকার আবিদ আহমেদ, সিজিডিএফ কর্মচারী সমিতির সাবেক সভাপতি এ কে এম সালাউদ্দিন, কবি এম আর রহমান সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা নিয়ে আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মফিজ উদ্দিন খান বলেন, পেশাজীবীদের আর্থিক মর্যাদা ও জীবনযাত্রার বা¯ত্মবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা জরম্নরি। একটি দক্ষ, স্বচ্ছ ও উৎপাদনশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে পেশাজীবীদের ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা ও সামাজিক মর্যাদা গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রধান আলোচক মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, পেশাজীবীদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। সময়ের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়ন ও পেশাগত মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপর গুরম্নত্বারোপ করেন তিনি। অনুষ্ঠানের মূল বক্তা প্রফেসর ড. মো¯ত্মফা দুলাল বলেন, একটি জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীদের ভূমিকা অপরিহার্য। তরম্নণ প্রজন্মকে মেধা, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করার আহ্বান জানান তিনি। সভাপতির বক্তব্যে সরকার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, পেশাজীবীদের আর্থিক নিরাপত্তা শুধু ব্যক্তিগত কল্যাণের বিষয় নয়; এটি দেশের মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সেবার মানের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পৃক্ত। বা¯ত্মবতা, জীবনযাত্রার ব্যয় ও দায়িত্ব বিবেচনায় নিয়ে সময়োপযোগী পে-স্কেল প্রণয়ন এবং পেশাজীবীদের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তায় কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে এসএসসি–২০২৬ পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও বই তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে তাদের আরও উৎসাহিত করতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত শতাধিক সৌখিন ছাদবাগানীদের মাঝে বাংলাদেশ পেশাজীবী ফেডারেশনের পক্ষ থেকে উন্নত জাতের সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। নগর কৃষি ও ছাদবাগান সম্প্রসারণের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব নগরায়ণে উৎসাহিত করাই এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সমাজ বিশ্লেষক, কৃষি উদ্যোক্তা, ছাদবাগানি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

চারদিকে কৃষিজমি, মাঝখানে কারখানা—বিপুল কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি কোথায়?

নওগাঁ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 4:21 pm
চারদিকে কৃষিজমি, মাঝখানে কারখানা—বিপুল কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি কোথায়?

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাইগা ইউনিয়নে চারদিকে বিস্তীর্ণ কৃষিজমির মাঝখানে গড়ে উঠেছে আল মামুন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ নামে একটি মাছের খাবার তৈরির কারখানা। মাতাজি বটতলী থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে রাস্তার পাশে স্থাপিত এ কারখানায় উৎপাদনের জ্বালানি হিসেবে বিপুল পরিমাণ কাঠ কুড়িয়ে এনে পোড়ানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা কাঠ ও গাছপালা কারখানায় এনে পোড়ানো হচ্ছে। এতে ধোঁয়া ও ছাই ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশের এলাকায়। এর ফলে পরিবেশ, কৃষিজমি ও ফসলের ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

চারদিকে কৃষিজমি আর তার মাঝখানে এমন একটি শিল্পকারখানা—তারপরও দীর্ঘদিন ধরে বিপুল পরিমাণ কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ প্রশাসনের নজরে এলো না কেন, এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নিয়মিত কারখানাটি পরিদর্শন করেছে কি না, করে থাকলে কী পেয়েছে এবং কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

কারখানার আশপাশের কৃষিজমিতে আগের তুলনায় ধান চাষ কমেছে। তবে এর সঙ্গে কারখানার কার্যক্রমের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা বৈজ্ঞানিক ও প্রশাসনিক তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

এখানেই শেষ নয়, কারখানায় মাছের খাবার উৎপাদন ও বাজারজাত নিয়েও উঠছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভিন্ন ব্যক্তি এখান থেকে টনে টনে মাছের খাবার তৈরি করে নিয়ে বাইরে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন হলো—কারা এসব খাবার তৈরি করছেন, কী উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে এবং উৎপাদনের প্রতিটি ধাপে গুণগত মান কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে? এসব খাবার বাজারজাতের আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাননিয়ন্ত্রণ বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে কি না, সেটিও এখন খতিয়ে দেখা জরুরি। কারণ মাছের খাবারের মানের সঙ্গে মৎস্য উৎপাদন, চাষিদের আর্থিক ক্ষতি এবং ভোক্তার স্বার্থ সরাসরি জড়িত।

আরও প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত কার্যক্রমের বাইরে অন্য কেউ যদি এখান থেকে বিপুল পরিমাণ মাছের খাবার তৈরি করে নিয়ে বাজারজাত করে থাকেন, তাহলে সে কার্যক্রমের অনুমোদন, উৎপাদনের দায় এবং পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কার? বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মৎস্য ও প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সরেজমিন যাচাই প্রয়োজন।

এদিকে সাংবাদিকদের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর আল মামুন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষ থেকে পরিবেশ অধিদপ্তর, নওগাঁ কার্যালয়ে প্রয়োজনীয় পরিবেশগত অনুমোদন বা ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জানিয়েছেন, আবেদনটি যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাও জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি তার লাইসেন্স ও অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা যাচাই করা হবে। অনুমোদনের শর্তের বাইরে কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন।

তবে এখানেই বড় প্রশ্ন—সাংবাদিকদের অনুসন্ধানের পর পরিবেশগত অনুমোদন বা ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করা হয়ে থাকলে, এর আগে কারখানাটি কী ধরনের পরিবেশগত অনুমোদনের ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছিল? আর চারদিকে কৃষিজমি থাকা একটি কারখানায় বিপুল পরিমাণ কাঠ পোড়ানোর অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি কতটা কার্যকর ছিল?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কারখানাটির ভেতরের কার্যক্রম ভিডিও ধারণের অনুমতি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে জানিয়ে তাঁর মাধ্যমে মালিকপক্ষের কাছে সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও অনুমতি পাওয়া যায়নি। পরে কারখানার অভ্যন্তরের কিছু দৃশ্য সীমিতভাবে ধারণ করা হয়, যা প্রতিবেদনে ঘটনাস্থলের বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

একদিকে চারদিকে কৃষিজমি, মাঝখানে শিল্পকারখানা; অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ কাঠ সংগ্রহ ও পোড়ানোর অভিযোগ, পরিবেশগত অনুমোদন নিয়ে প্রশ্ন, মাছের খাবারের উৎপাদন ও গুণগত মান নিয়ে উদ্বেগ—সব মিলিয়ে রাইগা ইউনিয়নের আল মামুন এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের কার্যক্রম নিয়ে দ্রুত সরেজমিন তদন্তের দাবি উঠেছে।

এখন প্রশ্ন—কারখানাটির পরিবেশগত অনুমোদন, জ্বালানি হিসেবে কাঠ ব্যবহারের বিষয়, উৎপাদন কার্যক্রম, কারা সেখানে মাছের খাবার তৈরি করছেন, উৎপাদিত খাবারের গুণগত মান কীভাবে নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং সেগুলো কীভাবে বাজারজাত হচ্ছে—সবকিছু কি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দপ্তরগুলো সরেজমিনে যাচাই করবে? স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য বের করা হবে এবং কোনো অনিয়ম পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাদকের হটস্পটে পুলিশের হানা; নারী বিক্রেতাসহ গ্রেপ্তার ৯

মোঃ আরাফাত আলী
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 4:19 pm
মাদকের হটস্পটে পুলিশের হানা; নারী বিক্রেতাসহ গ্রেপ্তার ৯

নওগাঁয় জেলা পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে নারী বিক্রেতাসহ ৯জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সাথে ১১৭০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৯সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার (১৮সেপ্টেম্বর) রাতে মাদকের হটস্পট হিসেবে খ্যাত শহরের নুনিয়াপট্টি ও সুইপার কলোনিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও সদর থানা পুলিশ দুই ঘন্টাব্যাপী এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, সুইপার কলোনী এলাকার মৃত জীবনের মেয়ে শ্রী মুনি (৪০), শহরের খাস নওগাঁ এলাকার সামছুল হকের ছেলে শাওন (৪২) ও পৌরসভার বাগবাড়ি পূর্ব পাড়া এলাকার মৃত সুবেদ আলীর ছেলে মানিক (৩৮)। এবং শহরের পাটালির মোড় শাহি মসজিদ এলাকার শাহিনের ছেলে রাকিব (১৯), হাট নওগাঁ এলাকার সাজ্জাদ হোসেন সান্টুর ছেলে আবির হোসেন (১৯), কুমাই গাড়ি এলাকার রমজান আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৩২), সদর উপজেলার আনন্দ নগর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে সিয়াম (১৯), আত্রাই উপজেলার বড় সাওতা গ্রামের মৃত আক্কাসের ছেলে মনোয়ার হোসেন (৪৮) ও মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার বিক্রমপুর বড় মোকাম বাজার এলাকার মৃত ফরিদ মিয়ার ছেলে রাজু মিয়া (৩২)।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী চলমান অভিযানের সময় জানতে পারি শহরের নুনিয়াপট্টি ও সুইপার কলোনিতে মাদক কেনা বেচা ও সেবন হচ্ছে। এমন সংবাদে বৃহস্পতিবার রাতে ডিবি পুলিশ ও সদর থানা পুলিশ যৌথভাবে সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে শ্রী মুনি নামে এক নারী মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে ছোট তিনটি পলি প্যাকে ৩০০করে এবং একটি  ছোট পলি প্যাকে ২৭০ টি মোট ১১৭০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এছাড়া সহযোগী হিসেবে মাদক বিক্রেতা মানিক ও শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, একই সময় মাদক সেবন এবং পাবলিক নুইসেন্স সৃষ্টিকারীর জন্য অপর ছয় জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শহরের এই দুই জায়গার এর আগেও একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ বেশ কিছু মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপরও যদি তারা সাবধান না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরণের অভিযান চালানো হবে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আর গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/আর

ব্রেকিং নিউজ