সরকারি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও উত্তর শিক্ষার্থীদের কাছে সরবরাহকারী চক্রের ১০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। চক্রটি বিভিন্ন সোশ্যাল অ্যাপস ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষার হল থেকে প্রশ্ন ফাঁস করে দেয়া, বাইরের রুমে ওয়ানস্টপ সমাধান কেন্দ্র বসিয়ে স্মার্ট ওয়াচ, ইয়ার ডিভাইস, মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে উত্তর সরবরাহ করার কাজ করে। চক্রটি বিভিন্ন সময়ে সরকারি চাকরির প্রশ্ন ফাঁস করে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
শুক্রবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত মিরপুর, কাকরাইল ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় চলা অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নোমান সিদ্দিকী, মাহমুদুল হাসান আজাদ, আল আমিন রনি, নাহিদ হাসান, শহীদ উল্লাহ, তানজির আহমেদ, মাহবুবা নাসরীন রুপা, রাজু আহমেদ, হাসিবুল হাসান ও রাকিবুল হাসান।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে মাহমুদুল হাসান আজাদ সিজিএ অফিসের সরকারি কর্মকর্তা এবং মাহবুবা নাসরীন রুপা বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান।
শনিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ৬টি ইয়ার ডিভাইস, ৬টি মাস্টার কার্ড মোবাইল সিম হোল্ডার, ৫টি ব্যাংক চেক, ৭টি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, ১০টি স্মার্ট ফোন, ৬টি ফিচার মোবাইল, ১৮ টি প্রবেশপত্র এবং চলমান পরীক্ষার ফাঁস হওয়া ৩ সেট প্রশ্নপত্র জব্দ করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: Saturday, 22 January, 2022 । 6:59 pm