গণপূর্ত ঢাকা বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল, নিম্নমানের কাজ, টেন্ডার বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশের সময়: Monday, 7 September, 2026 । 7:50 pm

রাজধানীর অন্যতম অভিজাত সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসিক এলাকা ইস্কাটন গার্ডেন কোয়ার্টার। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তা ও আমলাদের বসবাসের এই আবাসিক এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের অযত্ন-অবহেলায় অনেক ভবন ও স্থাপনার অবস্থা নাজুক। সীমানাপ্রাচীর ও নিরাপত্তা চৌকিগুলোতে শেওলা জমে স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। বিভিন্ন আবাসিক ভবনের দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়ছে। রাস্তায় তৈরি হয়েছে অসংখ্য গর্ত।

ইস্কাটন গার্ডেনের মিতালী ভবনের পোর্চের প্লাস্টার খসে পড়ছে। বিভিন্ন স্থানে আগাছা জন্মেছে। একই চিত্র অরুণিমা, অপরাজিতা ও নীহারিকাসহ একাধিক ভবনে। পুরো ক্যাম্পাসে পড়ে থাকা পাতা ও আবর্জনা পচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। মশার উপদ্রবও চরমে।

অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থাপনার মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪ প্রতিবছরই এসব কাজের বিপরীতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় দেখাচ্ছে। অথচ বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও আবাসিক এলাকার দৃশ্যমান উন্নতি নেই।

এপিপি ও আরএপিপির তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইস্কাটন গার্ডেন কোয়ার্টারের প্রায় ৮০টি কাজের বিপরীতে প্রায় ৬ কোটি ২২ লাখ টাকা, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন কাজের বিপরীতে প্রায় ৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য রয়েছে।

তিন অর্থবছরে শুধু ইস্কাটন গার্ডেনেই ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ কোটি ১৯ লাখ টাকা। বিপুল এই অর্থ ব্যয়ের পরও আবাসিক এলাকার এমন জীর্ণদশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর মেরামত খাতের বরাদ্দ কয়েক বছর আগেও ২০ কোটি টাকার নিচে ছিল। পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলী পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বরাদ্দ বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে এ বিভাগের মেরামত খাতে বরাদ্দ প্রায় ৩১ কোটি টাকা পর্যন্ত উঠেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।

এই বিপুল বরাদ্দের বিপরীতে কাজের মান, বাস্তবায়ন এবং অর্থ ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা গণপূর্ত বিভাগ-৪-এর বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানার বিরুদ্ধে একাধিক কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই বিল পরিশোধ এবং ঠিকাদারের সঙ্গে অর্থ ভাগাভাগির অভিযোগ উঠেছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের আরএপিপির ৪৬ নম্বর ক্রমিকে সেগুনবাগিচাস্থ অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের আনুষঙ্গিক মেরামত কাজের জন্য প্রায় ৩৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ের তথ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, ওই কক্ষের মূল মেরামত কাজ ২০১৯-২০ অর্থবছরেই সম্পন্ন হয়েছিল। এরপর সেখানে বড় ধরনের কোনো কাজ হয়নি। ফলে পরবর্তী সময়ে ওই খাতে এত টাকা ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

একইভাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আরএপিপিতে ঢাকা গণপূর্ত সার্কেল-২ কার্যালয়ের মেরামত ও সংস্কার কাজে প্রায় ২২ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালে একই কার্যালয়ের মেরামতের জন্য প্রায় ২১ লাখ ৬২ হাজার টাকার কাজের চুক্তি হয়েছিল। এরপর সেখানে বড় ধরনের কোনো মেরামত হয়নি বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

এ ঘটনায় একই ভবনের বিভিন্ন তলায় থাকা সরকারি কার্যালয়ের মেরামতকাজের নামে পরবর্তী সময়ে নতুন করে বিল দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের আরএপিপিতে পূর্ত ভবনের অডিটোরিয়াম সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ বিদ্যুতায়ন কাজের অবশিষ্ট অংশের জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, অডিটোরিয়ামের মূল সংস্কারকাজ ২০২৩ সালেই শেষ হয়েছিল। ওই সময় তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী ও সচিবের উপস্থিতিতে অডিটোরিয়াম উদ্বোধনও করা হয়। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অডিটোরিয়াম সংস্কারে প্রায় ২ কোটি ১৭ লাখ টাকা এবং ভবনের বাইরের বিভিন্ন মেরামত ও রংয়ের কাজে আরও প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছিল।

এরপর ‘অবশিষ্ট কাজ’ দেখিয়ে নতুন করে ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্যকে সন্দেহজনক বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থাপত্য ভবনের সামনের ল্যান্ডস্কেপ উন্নয়ন কাজেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, কাজ পুরোপুরি শেষ না করেই ঠিকাদারকে প্রায় ৮৮ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বাস্তবে সম্পন্ন কাজের মূল্য সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকার মতো হতে পারে।

এছাড়া স্থাপত্য ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পের বিভিন্ন আইটেম আগে থেকেই ভেরিয়েশনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

ইস্কাটনের মতো খিলগাঁও সরকারি কোয়ার্টারেও দেখা গেছে অব্যবস্থাপনার চিত্র। প্রবেশপথেই ময়লার স্তূপ, ভবনের দেয়ালে খসে পড়া প্লাস্টার, স্যাঁতসেঁতে ও শেওলা পড়া বহির্ভাগ, ভাঙাচোরা রাস্তা এবং অপরিষ্কার ড্রেনেজ ব্যবস্থা।

গত ৪ মে সরেজমিন পরিদর্শনে দুর্গন্ধ ও ময়লার কারণে পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের দাবি। মাঠ ও সবুজ এলাকাগুলো আগাছায় ভরে যাওয়ায় মশা ও সাপের উপদ্রবের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

অথচ সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে খিলগাঁও সরকারি কোয়ার্টারের বিভিন্ন কাজে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য রয়েছে।

বিপুল অর্থ ব্যয়ের পরও কোয়ার্টারের এমন দশা কীভাবে হলো—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা।

তিন নেতার মাজার ও এর বাউন্ডারি ওয়াল মেরামত ও সংস্কার কাজেও প্রায় অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিন পরিদর্শনে স্থাপনাটির বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনা, দেয়ালে শেওলা, ছাদ চুইয়ে পানি পড়া, ভাঙা সীমানাপ্রাচীর এবং রাস্তায় গর্ত দেখা গেছে বলে প্রতিবেদকের দাবি।

এমন অবস্থায় মেরামত ও সংস্কারের নামে এত টাকা কীভাবে ব্যয় হলো—তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

বেগম রোকেয়া কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল, খিলগাঁওয়ের ১০ তলা ভবনের প্লাস্টার, দরজা-জানালা ও পানির পাইপ মেরামতের প্রায় ৪২ লাখ টাকার কাজের বিল পরিশোধ করা হলেও কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

একই অভিযোগ উঠেছে বিসিএস প্রশাসন একাডেমির নীলক্ষেত আবাসিক কোয়ার্টারের চিত্রা ভবন, তিস্তা ভবন ও সুগন্ধা ভবনের মেরামত কাজ নিয়েও। এসব কাজে যথাক্রমে প্রায় ৫০ লাখ, ৩৭ লাখ ও ৪৫ লাখ টাকা বিল দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবনের দুটি কাজেও প্রায় ১ কোটি টাকা ও ৮২ লাখ টাকা ব্যয়ের তথ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব কাজের ক্ষেত্রেও বিল প্রদানের সময় কাজ বাস্তবে সম্পন্ন হয়নি।

ইস্কাটন গার্ডেন সরকারি কোয়ার্টারের অরুণিমা-নীহারিকা ক্যাম্পাসের সীমানাপ্রাচীর উঁচুকরণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশ পুনর্নির্মাণে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে।

সরেজমিনে নিম্নমানের ব্লক, নিম্নমানের ব্রিক চিপস ও কাঠের শাটারিং ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। কোথাও প্লাস্টার করা হয়নি, কোথাও বার্বড ওয়্যার ফেন্সিং এবং ওয়েদারকোটও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

সোনালি-রূপালি ক্যাম্পাসের সামনের জরাজীর্ণ সীমানাপ্রাচীর পুনর্নির্মাণে আরও প্রায় **৪০ লাখ টাকা** ব্যয় দেখানো হলেও কাজ অসম্পূর্ণ থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বেইলি রোডের সরকারি অফিসার্স কোয়ার্টারের কয়েকটি ভবনের ছাদ, ড্রেনেজ, পয়ঃনিষ্কাশন, রাস্তা ও সীমানাপ্রাচীর মেরামতে প্রায় **২ কোটি ৮৬ লাখ টাকা** ব্যয় হলেও কাঙ্ক্ষিত কাজ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেরামতকাজে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি (ওটিএম) ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে বেশ কিছু টেন্ডার আইডির তথ্য পাওয়া গেছে, যেগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযোগ রয়েছে, প্রধান প্রকৌশলীর নির্দেশনা ও প্রচলিত পদ্ধতি উপেক্ষা করে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানো হয়েছে।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট টেন্ডার আইডিগুলোর দরপত্র প্রক্রিয়া, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং কার্যাদেশ প্রদানের নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মাসুদ রানার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাজধানীর রামপুরার ডি-ব্লকে ৫৪ নম্বর প্লটে তার পাঁচতলা বাড়ি রয়েছে। মোহাম্মদপুরের বাবর রোডে ১৭৯/এ নম্বর প্লট বেনামে কেনার অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া পান্থপথের বসুন্ধরা সিটির মোল্লা ম্যানসন নামের একটি দোকান, রাজশাহী শহরের উপশহরে প্রায় ১০ কাঠা জমি এবং রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগও রয়েছে।

তবে এসব সম্পদের মালিকানা, ক্রয়মূল্য ও অর্থের উৎস সম্পর্কে সরকারি নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।

মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে পদায়ন ও চাকরিতে টিকে থাকার অভিযোগও রয়েছে। তিনি একসময় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন।

২০২১ সালের আগস্টে শেরেবাংলানগর গণপূর্ত বিভাগ-৩-এ পদায়নের ক্ষেত্রেও প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতা পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ও তার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং সরকারি দপ্তরে তাদের প্রভাব বিস্তারে সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে। এসব অভিযোগেরও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, সরকার পরিবর্তনের পরও প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে পদে বহাল রয়েছেন মাসুদ রানা। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা হয়েছে বলেও দাবি রয়েছে।

এমনকি দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগও প্রভাব খাটিয়ে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও এ অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

একদিকে সরকারি আবাসিক এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনার জীর্ণদশা, অন্যদিকে একই সময়ে কোটি কোটি টাকা মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয়ের তথ্য—এই দুইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তর, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

বিশেষ করে যেসব কাজের বিপরীতে বিল দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর প্রাক্কলন, টেন্ডার, কার্যাদেশ, কাজের পরিমাপ বই (এমবি), বিল ভাউচার, কাজের ছবি, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়কাল এবং সরেজমিন বাস্তব অবস্থা যাচাই করা হলে অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদ রানার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সম্পাদক: মোঃ মিজানুর রহমান নির্বাহী সম্পাদক: মোঃ আরাফাত আলী ফোন: ০১৮১৩-৫৩৮৩১৯, ০১৬২০-১৯০৮৮৫ ই-মেইল: jagosangbadmedia@gmail.com

প্রিন্ট করুন