খুঁজুন
, ,

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ, পৌরসভার গাফিলতি ও কর্মকর্তাদের অদক্ষতাকে দুষলেন চেম্বার সভাপতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১০ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ, পৌরসভার গাফিলতি ও কর্মকর্তাদের অদক্ষতাকে দুষলেন চেম্বার সভাপতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে মহামারি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আব্দুল ওয়হেদ। এ পরিস্থিতির জন্য পৌরসভার গাফিলতি, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অদক্ষতা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন তিনি। একই সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকাকে ডেঙ্গুর ‘রেড জোন’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের আয়োজনে ডেঙ্গুর প্রকোপ ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভাপতি আব্দুল ওয়হেদ বলেন, প্রায় দুই বছর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হতে শুরু করে। তবে গত কয়েক মাসে পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। বর্তমানে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী পাওয়া যাচ্ছে এবং মৃত্যুর ঘটনাও বাড়ছে বলে তিনি দাবি করেন। ডেঙ্গুতে চেম্বারের সদস্য ওবাইদুল আজিম রিংকুসহ অনেকে মারা গেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকাকে জরুরি ভিত্তিতে রেড জোন ঘোষণা করতে হবে। পাশাপাশি ডেঙ্গু রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ঢাকা থেকে ১৫ থেকে ২০ জন ডেঙ্গু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি দল গঠন করে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে পাঠানোর জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।

পৌর এলাকায় জনপ্রতিনিধি না থাকায় নাগরিক সেবায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে আব্দুল ওয়হেদ বলেন, শহরের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা জমে থাকছে এবং পানি জমে মশার প্রজননস্থল তৈরি হচ্ছে। প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর এলাকায় ড্রেনেজসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ চললেও যথাযথ তদারকির অভাবে অনেক স্থানে খাল খননের পর তা ঠিকমতো বন্ধ করা হচ্ছে না। এসব খালে পানি ও ময়লা জমে থাকায় ডেঙ্গুর বিস্তার বাড়ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত তথ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন চেম্বার সভাপতি। তাঁর দাবি, আক্রান্তদের একটি বড় অংশ বাড়িতে কিংবা বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া রোগীদের কেউ সেখানে মারা গেলে সেই মৃত্যুর তথ্য স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগের রেকর্ডে নাও থাকতে পারে। ফলে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানে পুরোপুরি প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন চাঁপাই নবাবগঞ্জে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭০/৭৫ জন মৃত্যু বরণ করেছেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শহরের আজাইপুর বিল, বেলেপুকুর, বিদিরপুর, মহানন্দা নদীর পাড়সহ বিভিন্ন বিল, খাল ও পুকুরের আশপাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আব্দুল ওয়হেদ বলেন, শুধু চিকিৎসা দিয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

চেম্বার সভাপতির দাবি, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ না নিলে জনস্বাস্থ্য সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/হানিফ

ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, দুইজন আহত

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 10:07 pm
ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, দুইজন আহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার(২ নভেম্বর) রাত সাতটার দিকে ঢাকা- ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা পৌরসভার ইন্টার সেকশন মোড়ের খুলনামুখী সড়কে ।নিহতরা হলেন ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা পৌরসভার হাজরাহাটি মহল্লার দুলাল কাজীর ছেলে ইজাজুল কাজী (২০) এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার জিয়াকুলি গ্রামের শাহাদাত সরদারের ছেলে স্বাধীন সরদার (২০)।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জিনিয়া আক্তার জানান , সন্ধ্যার পরে দুইটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চারজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে এদের মধ্যে ইজাজুল কাজী ও স্বাধীন সরদারকে মৃত ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে রাজন (২১) এবং ইয়ামিন (২৮) নামে গুরুতর আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) তৌহিদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সোমবার রাত ৭ টার দিকে ভাঙ্গা ইন্টার সেকশন মোড়ের খুলনামুখী সড়কে দুইটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/বিপ্লব 

রায়পুরে এক রাতেই নিঃস্ব সিফাত, চার মাসেও মেলেনি চার হত্যার রহস্য

আরিফ হোসেন রুদ্র, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 10:05 pm
রায়পুরে এক রাতেই নিঃস্ব সিফাত, চার মাসেও মেলেনি চার হত্যার রহস্য

‘বিচার তো অনেক দূরের কথা, চার মাস পার হয়ে গেল; এখনো জানতে পারলাম না, আমার মা ও তিন বোনকে কেন হত্যা করা হলো।’ বুকভরা কষ্ট নিয়ে কথাগুলো বলতে গিয়ে বারবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জুনায়েদ ইসলাম ওরফে সিফাত (১৮)। এক রাতেই মা ও তিন বোনকে হারিয়ে পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য হিসেবে এখন অনেকটাই নিঃসঙ্গ তাঁর জীবন।

গত ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সিফাতের মা শাহিনুর বেগম (৪০) এবং তিন বোন সাইমা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ওরফে ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার ওরফে সিফা (১০)। ওই ঘটনার পর পুরো পরিবারে বেঁচে আছেন শুধু সিফাত।

স্বজনদের হারানোর পর পাশের একটি বাসায় থাকছেন তিনি। জীবিকার তাগিদে এলাকার একটি রড-সিমেন্টের দোকানে কাজ নিয়েছেন। দিনের বেশির ভাগ সময় কর্মস্থলে কাটলেও রাতে বাসায় ফিরলে মা ও বোনদের স্মৃতি তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো মনে করে এখনো আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

সিফাতের আক্ষেপ, হত্যাকাণ্ডের চার মাস পেরিয়ে গেলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পারেননি তিনি। তাঁর প্রশ্ন, কী কারণে তাঁর মা ও তিন বোনকে এভাবে হত্যা করা হলো? অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল? ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন ওই বাসায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চারজনকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন অন্তর মজুমদার (২৮) নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায়।

ঘটনার পরদিন ধানহাটা এলাকায় জানাজা শেষে নিহত চারজনের মরদেহ কুমিল্লার হোমনায় তাঁদের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় সিফাত বাদী হয়ে রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গণপিটুনিতে অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি হত্যা মামলা করে।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রেমঘটিত বিরোধ, অর্থ লেনদেন, স্বর্ণালংকার লুট কিংবা ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থলের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে কিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে শুধু লুটপাটের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না পুলিশ। তবে পরিবারের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন বাসায় পাওয়া যায়নি। পরে অন্তরকে গণপিটুনি দেওয়ার স্থান থেকে ফোন দুটি উদ্ধার করা হয়। সেগুলো তিনি বাসা থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অন্তর মজুমদারের আগে নিয়মিত মুঠোফোনে যোগাযোগ ছিল কি না, তা যাচাই করা হয়েছে। তবে নিয়মিত যোগাযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

দুটি মামলার তদন্ত করছেন রায়পুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, মামলাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত, ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি বিষয় সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

চার মাস আগে এক রাতেই মা ও তিন বোনকে হারিয়েছেন সিফাত। স্বজনদের স্মৃতি নিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার চেষ্টা করছেন তিনি। দিনের বেলায় জীবিকার তাগিদে কাজ করলেও রাতের নীরবতায় ফিরে আসে হারানো স্বজনদের স্মৃতি। তাঁর অপেক্ষা—কেন এই হত্যাকাণ্ড, কারা জড়িত ছিলেন এবং এর পেছনের প্রকৃত রহস্য কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে, অপরাধের বিচার হবে—এ আশাতেই দিন কাটছে পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য সিফাতের।

লাখাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ খাদে, আহত ৩

মো. তারেক মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 9:11 pm
লাখাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ খাদে, আহত ৩

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মালবাহী পিকআপ সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেছে। এতে পিকআপে থাকা তিনজন আহত হয়েছেন।

​সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার মোড়াকরি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি মালবাহী পিকআপ দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় মোড়াকরি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে চালক হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় পিকআপটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা তিনজন আহত হন।

​দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

​স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই সড়কটিতে যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে চালকদের আরও সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ব্রেকিং নিউজ