খুঁজুন
, ,

নওগাঁয় রক্তদানে সচেতনতা বাড়াতে নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের প্রচারণা

নওগাঁ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:০৪ পিএম
নওগাঁয় রক্তদানে সচেতনতা বাড়াতে নওগাঁ ব্লাড সার্কেলের প্রচারণা

জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে নওগাঁয় সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নওগাঁ ব্লাড সার্কেল। দিবসটি উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন স্থানে দেয়ালে দেয়ালে সচেতনতামূলক পোস্টার লাগিয়েছেন সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা।

সোমবার (২ নভেম্বর) আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বেচ্ছায় রক্তদানের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। পোস্টারে রক্তদানের আহ্বানসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার পাশাপাশি নিয়মিত রক্তদাতা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিজভী আহম্মেদ রিজোয়ান বলেন, “রক্তদান শুধু একটি মানবিক কাজ নয়, এটি একজন মানুষের জীবন বাঁচানোর মহৎ সুযোগ। আমরা চাই, স্বেচ্ছায় রক্তদান সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হোক। তরুণ প্রজন্মসহ সমাজের সব সুস্থ ও সক্ষম মানুষকে রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আমাদের ছোট্ট একটি উদ্যোগও কারও জীবনে বেঁচে থাকার নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারে।আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত সচেতনতা ও মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে একটি রক্তদাতা-সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। রক্তদানে এগিয়ে আসুন, মানবতার পাশে দাঁড়ান—রক্তদান হোক আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।”

নওগাঁ ব্লাড সার্কেল পলিটেকনিক শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. হায়ালিল বলেন,“স্বেচ্ছায় রক্তদান একটি মহৎ মানবিক উদ্যোগ। আমাদের লক্ষ্য শুধু মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের ব্যবস্থা করা নয়, বরং সমাজের সর্বস্তরে রক্তদানের সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়ে নতুন স্বেচ্ছায় রক্তদাতা তৈরি করা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন স্থানে পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড স্থাপনের মাধ্যমে জনসাধারণকে রক্তদানে উদ্বুদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ দুর্ঘটনা, অস্ত্রোপচার, প্রসূতিসেবা ও বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসায় রক্তের প্রয়োজনের মুখোমুখি হন। জরুরি মুহূর্তে প্রয়োজনীয় রক্তের অভাবে রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজনের স্বেচ্ছায় দেওয়া রক্ত অন্য একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে। তাই রক্তদানের বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন রক্তদাতা তৈরিতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মো. হায়ালিল , মো. সোলেমান, আল নাফি, মাসুম বিল্লাহ, মো. রেজুয়ান আহমেদ, মো. হাসিন আলমাস সামিত, মো. রাফিউল ইসলাম মাহি, পাপ্পু সরকার ও মো. মোসাদ্দিকুলসহ সংগঠনের অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবীরা।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে নওগাঁ ব্লাড সার্কেল জেলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমের পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সহায়তা, বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল ক্যাম্প, অক্সিজেন সেবা এবং বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি রক্তদাতা ও রক্তগ্রহীতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি এবং জরুরি প্রয়োজনে রক্তের ব্যবস্থা করতে কাজ করছে।

দিবসটি উপলক্ষে সংগঠনটির পক্ষ থেকে সব সুস্থ ও সক্ষম মানুষকে স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি মরণোত্তর চক্ষুদানের মতো মহৎ উদ্যোগ সম্পর্কেও জনসচেতনতা তৈরির প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/রিজভী

ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, দুইজন আহত

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 10:07 pm
ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত, দুইজন আহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার(২ নভেম্বর) রাত সাতটার দিকে ঢাকা- ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের ভাঙ্গা পৌরসভার ইন্টার সেকশন মোড়ের খুলনামুখী সড়কে ।নিহতরা হলেন ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা পৌরসভার হাজরাহাটি মহল্লার দুলাল কাজীর ছেলে ইজাজুল কাজী (২০) এবং পার্শ্ববর্তী নগরকান্দা উপজেলার জিয়াকুলি গ্রামের শাহাদাত সরদারের ছেলে স্বাধীন সরদার (২০)।

ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জিনিয়া আক্তার জানান , সন্ধ্যার পরে দুইটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চারজনকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হলে এদের মধ্যে ইজাজুল কাজী ও স্বাধীন সরদারকে মৃত ঘোষণা করা হয়। অপরদিকে রাজন (২১) এবং ইয়ামিন (২৮) নামে গুরুতর আহত দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) তৌহিদ আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, সোমবার রাত ৭ টার দিকে ভাঙ্গা ইন্টার সেকশন মোড়ের খুলনামুখী সড়কে দুইটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং দুইজন গুরুতর আহত হয়েছে। নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

জাগো সংবাদ/আরাফাত/বিপ্লব 

রায়পুরে এক রাতেই নিঃস্ব সিফাত, চার মাসেও মেলেনি চার হত্যার রহস্য

আরিফ হোসেন রুদ্র, রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 10:05 pm
রায়পুরে এক রাতেই নিঃস্ব সিফাত, চার মাসেও মেলেনি চার হত্যার রহস্য

‘বিচার তো অনেক দূরের কথা, চার মাস পার হয়ে গেল; এখনো জানতে পারলাম না, আমার মা ও তিন বোনকে কেন হত্যা করা হলো।’ বুকভরা কষ্ট নিয়ে কথাগুলো বলতে গিয়ে বারবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জুনায়েদ ইসলাম ওরফে সিফাত (১৮)। এক রাতেই মা ও তিন বোনকে হারিয়ে পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য হিসেবে এখন অনেকটাই নিঃসঙ্গ তাঁর জীবন।

গত ২৫ জুন লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকার একটি ভাড়া বাসায় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সিফাতের মা শাহিনুর বেগম (৪০) এবং তিন বোন সাইমা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ওরফে ইকরা (১৭) ও ফাতেমা আক্তার ওরফে সিফা (১০)। ওই ঘটনার পর পুরো পরিবারে বেঁচে আছেন শুধু সিফাত।

স্বজনদের হারানোর পর পাশের একটি বাসায় থাকছেন তিনি। জীবিকার তাগিদে এলাকার একটি রড-সিমেন্টের দোকানে কাজ নিয়েছেন। দিনের বেশির ভাগ সময় কর্মস্থলে কাটলেও রাতে বাসায় ফিরলে মা ও বোনদের স্মৃতি তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়। তাঁদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো মনে করে এখনো আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

সিফাতের আক্ষেপ, হত্যাকাণ্ডের চার মাস পেরিয়ে গেলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পারেননি তিনি। তাঁর প্রশ্ন, কী কারণে তাঁর মা ও তিন বোনকে এভাবে হত্যা করা হলো? অভিযুক্ত অন্তর মজুমদার একাই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিলেন, নাকি এর পেছনে অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা ছিল? ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন ওই বাসায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে চারজনকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন অন্তর মজুমদার (২৮) নামে এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায়।

ঘটনার পরদিন ধানহাটা এলাকায় জানাজা শেষে নিহত চারজনের মরদেহ কুমিল্লার হোমনায় তাঁদের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় সিফাত বাদী হয়ে রায়পুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। অন্যদিকে, গণপিটুনিতে অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি হত্যা মামলা করে।

পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রেমঘটিত বিরোধ, অর্থ লেনদেন, স্বর্ণালংকার লুট কিংবা ব্যক্তিগত শত্রুতার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্তে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থলের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে কিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা অক্ষত অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে শুধু লুটপাটের উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারছে না পুলিশ। তবে পরিবারের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন বাসায় পাওয়া যায়নি। পরে অন্তরকে গণপিটুনি দেওয়ার স্থান থেকে ফোন দুটি উদ্ধার করা হয়। সেগুলো তিনি বাসা থেকে নিয়ে গিয়েছিলেন কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অন্তর মজুমদারের আগে নিয়মিত মুঠোফোনে যোগাযোগ ছিল কি না, তা যাচাই করা হয়েছে। তবে নিয়মিত যোগাযোগের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

দুটি মামলার তদন্ত করছেন রায়পুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, মামলাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সাক্ষ্যপ্রমাণ, ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত, ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি বিষয় সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা হচ্ছে। প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।

চার মাস আগে এক রাতেই মা ও তিন বোনকে হারিয়েছেন সিফাত। স্বজনদের স্মৃতি নিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার চেষ্টা করছেন তিনি। দিনের বেলায় জীবিকার তাগিদে কাজ করলেও রাতের নীরবতায় ফিরে আসে হারানো স্বজনদের স্মৃতি। তাঁর অপেক্ষা—কেন এই হত্যাকাণ্ড, কারা জড়িত ছিলেন এবং এর পেছনের প্রকৃত রহস্য কী? এসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে, অপরাধের বিচার হবে—এ আশাতেই দিন কাটছে পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য সিফাতের।

লাখাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ খাদে, আহত ৩

মো. তারেক মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: Monday, 2 November, 2026, 9:11 pm
লাখাইয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পিকআপ খাদে, আহত ৩

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি মালবাহী পিকআপ সড়কের পাশের খাদে পড়ে গেছে। এতে পিকআপে থাকা তিনজন আহত হয়েছেন।

​সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার মোড়াকরি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি মালবাহী পিকআপ দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় মোড়াকরি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে চালক হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এ সময় পিকআপটি সড়ক থেকে ছিটকে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা তিনজন আহত হন।

​দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।

​স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এই সড়কটিতে যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে চালকদের আরও সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

ব্রেকিং নিউজ